২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন শেখ হাসিনা!

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বগুড়ায় দেয়া বক্তব্য নিয়ে শংকিত নয় আওয়ামী লীগ। ক্ষমতাসীন দলের নীতি-নির্ধারকরা মনে করেন, ২০১৯ সাল পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানো যাবে না। তিনি প্রধানমন্ত্রী আছেন এবং সাংবিধানিকভাবেই ক্ষমতায়

বাংলাদেশ এবং আমরা

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী সংরামের মাধ্যমে কেবল মাত্র সবাই একটি স্বাধীন , সুন্দর, সমৃদ্ধ, সাম্প্রদায়ী সম্প্রীতিতে ভরপুর সমাজে বাস করব।

ঘুম

কুল ছাপিয়ে ঘুম আসছে চোখে, দুপুর রাত! গেড়ো মন্ত্র কিছুটা জানাও হে জাদুকর! কিছুটা দেখাও মোহমন্দ্র দ্বিধাহীন শেষ পাপড়ি খুলে কতটা শাপান্ত শেষে রক্তমূলে এইসব মাদকতা কেটে যাবে? কতদূর আর হেটে যাবে? ডুবে যাচ্ছি ঘুমের প্লাবনে অথচ এই ঘুম চাইনি

হেফাজতে ইসলামীর বীর আন্দোলনকারীদের জন্য একটি উত্তম প্রস্তাব

হেফাজতে ইসলামীর বীর আন্দোলনকারীদের জন্য একটি উত্তম প্রস্তাব – আপনারা বাংলাদেশের আইন পরিবর্তনের আন্দোলন বাদ দিয়া বরং সৌদিআরব আর পাকিস্হান যাওয়ার আন্দোলনে নামেন। সাধারন জনগন আপনাদের সাপোর্টে থাকবে। ওই দাবী নিয়া লংমার্চ করেন, আমাদেরও সাথে পাবেন। হরতাল দেন, আমাদের রাস্তায়

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে একদিন

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। জোটের প্রধান নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ডিনারে উপস্হিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি আছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদ এবং সরাষ্ট্রমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, ডানদিকে বসেছেন ধর্মমন্ত্রী আল্লামা আহমদ শফি, বানিজ্যমন্ত্রী কাদের সিদ্দিকী, শিক্ষামন্ত্রী দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, চরমোনাই পীর রেজাউল করিম,

ব্লগারদের গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ ও অবিলম্বে মুক্তি দাবী করছি

১ল এপ্রিল রাতে তিনজন ব্লগারকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। এরা হলেন মশিউর রহমান বিপ্লব, রাসেল পারভেজ ও সুব্রত শুভ। তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মুক্তমনা এই ব্লগারদের গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং তাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করছি। তাদের বিরুদ্ধে

”আমি দলের জন্য প্রান দেব ; দল আমাকে কি দেবে________,,, ???”

আসুন ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি কাটাকাটি ভুলে কাঁধে কাঁধ রেখে গড়ে তুলি একটি সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ । যে যেই রাজনৈতিক দলকেই সাপোর্ট করুক না কেন সবার পরিচয় একই , আমরা বাংলাদেশী । একবারও কি ভেবে দেখছি না, রাস্তার মোড়ে গুলি খেয়ে

মাতৃভূমি

লিখাটা লিখছিলাম ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রয়ারিতে। কিন্তু কোন জায়গায় প্রকাশ করার মত সাহস পাই নাই। হঠাৎ আজকে মনে হল লেখাটা পকাশ করি খারাপ ভাল তো লেখাতে থাকবেই। ‘ভালবাসা‌!’  হ্যা ভালবাসা, আর সবচেয়ে তীব্র ভালবাসাটি হওয়া উচিৎ মাতৃভূমির জন্য। যে মাতৃভূমি

হায়রে রাজনীতি

কয়েকদিন আগেও শুনতাম মানুষ গালি দিত এই বলে, তুই মানুষ না আমেলীগ। আর গতকালকে শুনলাম, তুই মানুষ না রাজাকার। শুধু তাই না তুই মানুষ না শিবির এইটাও শুনলাম। এখন শুধু অপেক্ষা, কবে শুনব তুই মানুষ না, বিএনপি। যাই হোক আমি