স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করার অন্তরালে আমাদের যে ত্যাগ, শ্রম, প্রাণদান সবকিছুকেই যেন উপহাস করছে বাংলাদেশের এক দশমাংশ এরিয়া নিয়ে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগকে যারা মেনে নিতে পারেনি তারাই বাংলাদেশ নামক সার্বভৌম রাষ্ট্রকে মেনে নেইনি যখন আমরা রক্তের নদীর বিনিময়ে এই দেশকে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নিলাম। ভারত পাকিস্তান আলাদা হয়ে যাওয়ার তিন দিন পর্যন্ত ভারতের পতাকা উত্তোলন করে রেখেছিল যারা তারাই বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বেশ কয়েকদিন পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে রেখেছিল। আর এসব কর্মকান্ডের নেতৃত্বে ছিলেন আমাদের এই অধম জাতির আজকের বুদ্ধিজীবীখ্যাত দেবাশিষ রায়ের পিতা ত্রিদিব রায়। পরে যাকে পাকিস্তান সরকার পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে মন্ত্রীত্বসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করে। পার্বত্য এলাকার এই উপজাতিরা নিজেদেরকে আদিবাসি হিসেবে দাবি করে এবং এটার স্বীকৃতির জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সংগ্রাম করছে। আর আমার দেশের কিছু বুদ্ধিজীবী এটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য, উপজাতিদেরকে আদিবাসী নামটা উপহার দেওয়ার জন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করছে। বিদেশী এনজিওদের হাতে দেশকে তোলে দেওয়ার পায়তারা করছে। তারা এটা কেন বুঝতেছে না যে, আদিবাসি উপাধি পাওয়ার সাথে সাথে বিদেশী অপশক্তি সরকারের অনুমতি ব্যতিত পার্বত্যএলাকায় অভিযান চালাতে পারে। এবং সেটার জন্যেই এনজিও গুলো মুখিয়ে আছে। একটু পরে হলেও সরকারের হুশ ফিরেছে যে সংবাদ সম্মেলন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক কথায় আদিবাসী স্বীকৃতির বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন। সরকারের এই পদক্ষেপের জন্য সাধুবাদ জানাই। পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালী হত্যা, নির্যাতন নিয়ে পরবর্তী স্ট্যটাসে চোখ রাখুন।।।।

রক্তাক্ত পাহাড়; প্রেক্ষিত পার্বত্য চট্টগ্রাম-১

Leave a Reply