আমি একজন ছাত্র । আমদের প্রশ্ন পদ্ধতি এখন সৃজনশীল করা হয়েছে । যেন আমরা মুখস্তনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতি হতে বেরিয়ে আসতে পারি ।দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা এই পদ্ধতির প্রবর্তন করেছেন । এর প্রায় সাড়ে তিন বছর হয়ে গেল ।এই শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে আমার কিছু কথা আছে ।
প্রথমত, এখানে ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীলতা ও চিন্তন দক্ষতা যাচাই করা হয়।কিন্তু সৃজনশীলতা কোন সময় মেনে হয় না । তবুও যেহেতু এটি একধরণের পরীক্ষা তাই নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন । তবে সেটা অবশ্যই এমন ভাবে হতে হবে যেন একজন ছাত্র তাকে যে সমস্যা দেয়া হয়েছে তা নিয়ে চিন্তা করতে পারে এবং তা গুছিয়ে লিখতে পারে । বর্তমানে যে সময় দেয়া হয় তাতে অনেক সময়ই গঠনমূলক ভাবে চিন্তা করে সাজিয়ে উত্তর লিখা হয় না ।তখন দ্রুত কিছু একটা লিখে ফেলতে হয় ।তাই আমার মনে হয় সময় কিছুটা হলেও বাড়ানো উচিত ।এটা আমার নিজস্ব অভিমত।
দ্বিতীয়ত , এখন মনে হচ্ছে পরীক্ষা হচ্ছে পাশ করানোর বা GPA বাড়ানোর মাধ্যম । একজন একটা শ্রেণীতে কিছু শিখলো কি না তা যাচাই করা হয় না। ঢালাও ভাবে নম্বর দেওয়ার পক্ষপাতী আমি নই। দেশের উন্নতির জন্য পাশের হার বাড়ানোর চাইতে প্রকৃত শিক্ষাই বেশি দরকার ।
তৃতীয়ত, এই পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রায় চার বছর হতে চললেও অনেক শিক্ষকরাও নম্বর বন্টন ও সামান্য কিছু বিষয় ছাড়া তেমন কিছু জানেন না । ছাত্ররা তো দূরেই থাকলো। শিক্ষকদের ট্রেনিং দেয়া হয় ।তবে এর পাশাপাশি তারা এটা প্রয়োগ করছে কি না তাও তদারক করা প্রয়োজন ।
এগুলো আমার মনের কথা। এর সাথে অনেকে ভিন্নমত হতে পারেন। তবে আমার মনে হয় অধিকাংশ আমার সাথে একমত হবেন ।