ভাষা শহীদদের বৈঠক

তখন অমানিশার মাঝ রাত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে বিশৃঙ্খল ভাবে বসা ক’জন যুবক আর কয়েকজন তরুণ। সবাই চুপচাপ শান্ত,কেউ এদিক ওদিক তাকাচ্ছে কেউ গালে হাত দিয়ে নিমগ্ন। আশে পাশে সিড়িতে আর চত্বরে ছিন্নমূল মানুষের সুখের নিদ্রা। কবি মন বলেই এগিয়ে

উপসংহার

আজ ফাগুনের আগুন বনে- জনহীন মনের ময়দানে তোমার স্ববিরোধীতার কথা কই! তুমি এখন ক্ষমতাসীন, আমি ভিন্নমতের সই! আজ ফাগুনের রাঙা দিনে- তুমি মনের ময়দানের মহাসমাবেশে এসে আমায় ঘোষণা দিলে অবাঞ্ছিত, তুড়ি দিয়ে হেসে। তোমার আমার পথ করলে পৃথক, ঘোষণা দিয়ে

‘বিদ্রোহী’ স্কয়ার ‘বিদ্রোহী’ টাওয়ার

আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর চির জনমের হারানো গৃহলক্ষ্মী নার্গিসকে জীবনের শেষ ও একমাত্র পত্রে লিখেছিলেন, ‘তুমি এই আগুনের পরশমানিক না দিলে আমি অগ্নিবীণা বাজাতে পারতাম না—আমি ধূমকেতুর বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না।’ নজরুলের এই কথাগুলো যে

ভারতীয় দালাল নির্মূল কমিটি।

উপদ্রবটি নতুন নয়। কিন্তু বর্তমানে এই ‘উপদ্রব’ অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বিশাল বিষবৃক্ষের আকার ধারণ করে জাতির জীবন যেমন অতিষ্ঠ করে তুলেছে তেমনি বিপন্ন করে তুলেছে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রিক নিরাপত্তাকে। এই উপদ্রবটির নাম ‘ভারতীয় দালাল’। সরকারের নীতি-নির্ধারক

আমার মৃত্যুর পর…

আমার মৃত্যুর পর এই পৃথিবীর বায়ূপ্রবাহ থেমে যাবেনা জানি হাজার হাজার মানুষের মাতম উঠবেনা। এই প্রকৃতির কোথাও একবিন্দু পরিবর্তন হবেনা। স্বজনদের মৌন বিলাপ কিংবা বুকফাটা আর্তনাদ ছাড়া আমার মৃত্যু আর কিছুই অর্জন করতে পারবেনা হয়তবা। আমার মৃত্যু সংবাদ শোনার পর

অপমৃত্যুর ময়নাতদন্ত

আমাদের ইতিহাস অনেক, অনেক দীর্ঘ- অনেক সাফল্যগাথা আর ত্যাগে পূর্ণ। ইতিহাসের বীরত্বগাথা আর সাফল্য কীর্তন শুনে শুনে আমাদের প্রজন্ম বড় হয়েছে। আজকের ইউরোপের অধিকাংশ যখন জংলী আর জঙ্গলে পূর্ণ- তখন আমাদের সভ্যতা ছিল, আজকের আমেরিকায় যখন আলো জ্বলেনি তখন আমাদের

বোধোদয়

আজকে অবশেষে- হল বোধোদয়, ভুল করিনি তোমায় ভালবেসে। পাইনি কিছুই, দিয়ে এলাম হৃদয় উজাড় করে! ভুল করেও দাওনি কিছুই তুমি মোরে! এমন ধারণায়- কতবার পুড়ে হয়েছি ছাই, অসীম যাতনায়। আজ বিশ্বাসের পথ পেড়িয়ে বুঝেছি শেষে যা দিয়েছি, পেয়েছি অধিক তোমায়

অজানিতা

বন্ধু আমার- তোমায় বোঝার শেষ হলনা তবু। বিধাতাই তোমায় বুঝতে পারেনি, সব! নারী- আমি বামন ধুলিন ধরার, চন্দ্রমুখী বুঝতে তোমায় পারব কি আর কভু? আমি মেঘে ছায়ায় ধুলিকণা হয়ে তোমার তন্বী দেহে বৃষ্টিধারা হয়ে মিশেছি শুক্রে শোণিত স্নেহে। আমি তোমার