বৃত্তের বাইরে

কিছু হাসি আমার নয় … কিছু স্রোত যেমন নদীর নয় । বরং কোনও চোখের । অথচ আশ্চর্য এ শিউলি মায়া  ! অদ্ভুত এই নীল মাখানো সাদা আকাশ ! কিম্ভূত এই মেঘের ধোঁয়া । কিছুতেই তারা টলবেনা । কোনদিনও পাশে এসে

হৃদয়ে স্বদেশ

এক যে ছিল আজব দেশ ।সেই দেশে মানুষ উপচায়ে পড়ত। এইজন্য ঐ দেশের চালাক মানুষরা কেউ মরতে বসলে তারে ভুলেও হেল্প করতো না ।কিন্তু মানবিকতা তো আর কম নাই। তাই মরার পর কিন্তু নাকি কান্না শুরু করতে ভুলতো না ..।

নার্ভলেস

কিছুই আর স্পর্শ করেনা তোমাকে ।  কি ভয়ংকর নিঃস্পৃহ তুমি । কি আশ্চর্য শীতল ।  সাপ ও পিছিয়ে থাকে … মৃতের অনুভূতি বুঝি এমনই হয় । সারা গায়ে লাশের গন্ধ ঢেলে তুমি বসেই থাক ;  বসেই থাক । কেটে যায়

সম্পর্ক প্রীতি

  বাক্যালাপে; পর্যাপ্ত হাসির যোগান দিয়েছিলে তুমি , আর যথেষ্ট প্রয়োজনীয় হাসি যোগ করেছিলাম আমিও । তারপরও রয়ে যায় সেই বিন্দু … ক্ষুদ্র অথচ তাকে অতিক্রমের সাহস করেনা আর কেউই । যে সম্পর্কের প্রাণ ভোমরা রয়ে যায় , আমলাতান্ত্রিক জটিলতার

তুমিই স্রস্টা

তোমার ভাবনায়, আমি যেন তোমাকে কাদা দিচ্ছি। কিন্তু জেনো , তুমি তা আমার দিকেই ছুঁড়তে পারো সহজেই অথবা তুমি একটা ভাস্কর্য তৈরি করতে পারো । তোমার ভাবনায় , আমি যেন নিশ্চিতভাবে তোমাকে অগ্নিশিখা দিতে পারছি । কিন্তু জেনো, তুমি তা

দুঃখরা ক্লিশে নয়

সাদামাটা হয়ে গেছে সব দুঃখ জল । আজকাল তা এক একটি মৃত মানবের জন্ম দেয় … অথবা এমন , যেন একটি দুই মিলিমিটার পরিধি বিশিষ্ট পাথরের আলোড়ন একটি  স্ফীত একশত পঁয়ষট্টি দশমিক দুই বর্গ কিলোমিটারের সমুদ্রজলে । “আমি কি করে