লিখুন ‘হিমু’কে নিয়ে

লিখুন ‘হিমু’কে নিয়ে

  আগামী ১৩ই নভেম্বর বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদ – এর জন্ম বার্ষিকী। এই জন্ম বার্ষিকীতে তার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ভালবাসায় তারই তৈরি অন্যতম অমর চরিত্র “হিমু” নিয়ে লেখার প্রচেষ্টা করতে চাই। সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে “হিমু” চরিত্রের সকল

বাবাকে নিয়ে লিখুন

সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের অনেক কিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় বাবা কে। সন্তানের জন্য আদর-শাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা । বাবা র তুলনা বাবা নিজেই। শুধু ভালোবাসা বা আদর-শাসন নয়, একজন বাবা দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে তাঁর সন্তানকে বড় করে তোলেন। বাবা শাশ্বত, চির আপন, চিরন্তন। বাবা দিবসে সন্তানদের সামনে সুযোগ আসে বাবা কে

আগামী ১৬ জুন বাবা দিবসে ‘গল্পকবিতা’ আয়োজন করেছে বিশেষ সংখ্যার।

সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের অনেক কিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় বাবা কে। সন্তানের জন্য আদর-শাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা । বাবা র তুলনা বাবা নিজেই। শুধু ভালোবাসা বা আদর-শাসন নয়, একজন বাবা দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে তাঁর সন্তানকে বড় করে তোলেন। বাবা শাশ্বত, চির আপন, চিরন্তন। বাবা দিবসে সন্তানদের সামনে সুযোগ আসে বাবা কে

‘গল্পকবিতা’র ‘পরিবার’ সংখ্যার ফলাফল প্রকাশ

নতুন প্রজন্মের প্রতিভা ও সৃষ্টিশীলতা বিকাশে সাহিত্য বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল গল্পকবিতা ডট কম আয়োজিত ‘ পরিবার ’ সংখ্যার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বিচারক ও পাঠকের ভোটে গল্প বিভাগে প্রথম বিজয়ী হয়েছেন এশরার লতিফ তাঁর ‘ তৃতীয় দিন ’ গল্প নিয়ে। দ্বিতীয় বিজয়ী অদিতি ভট্টাচার্য , তাঁর গল্প ‘ ঢেঁকি অবতার ’। তৃতীয় খন্দকার আনিসুর

প্রকাশিত হল গল্পকবিতার ‘শ্রমিক দিবসের বিশেষ সংখ্যা’

শ্রমিক ভাইবোনদের ত্যাগ আর তিতিক্ষায় গড়া আমাদের সভ্যতা। আমাদের জীবন বাঁচাতে কিংবা সাজাতে তাদের রয়েছে বিশাল অবদান। তার পরেও তাঁরা পায়না তাদের শ্রমের মূল্য, জীবনের নিরাপত্তা। অভাব অনাটন আর দুঃখ কষ্টে কেটে যায় তাঁদের জীবন। শ্রমিক ভাইবোনদের শ্রদ্ধা নিবেদন করতে

লেখার আহ্বান

‘ভোর‘ রাতের শেষে একটা নতুন দিনের সূচনা; কখনও যন্ত্রণা-ক্লান্ত-অভিশপ্ত আঁধার থেকে মুক্তি; কখনও জীবন সংগ্রামে আড়মোড়া ভেঙে ফিরে আসার প্রত্যয়। কিংবা পাখির কলতানে স্নিগ্ধ বাতাসে প্রকৃতির অপরূপ রূপে হারিয়ে যাওয়া। ভোর কখনও নস্টালজিয়া কখনও বা স্বপ্নের সূচনা। আসছে মে মাসেগল্পকবিতার

আল্টিমেটাম

সুন্দরীতমা আমার! যদিও এখন দেশ রসাতলের তলানিতে পৌছে গেছে গনতন্ত্রের নামে দেশে চলছে নব্য বাকশাল নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের সন্ত্রাস। তবুও এখনও আমার প্রতিটি ঘুমহীন রাতে রাতের চাঁদকে তোমার মুখাবয়ব ভেবে ভ্রম হয়! এই চাদ ডুবে যাক, বা মেঘে ঢেকে যাক

বৃষ্টি ভেজা

আজ নামল বৃষ্টি একা, সে বলবে বুঝি কিছু, ছাতাটা যে উড়ে গেল, ছুটতে হল পিছু। প্রিয় ফ্রকটা ভিজে গেল কেডসে লাগল কাদা, গোলাপি মোজা বাদামি হল, খুলল যে চুল বাঁধা। নিষ্পাপ ঠোঁটে জল গড়াল অশ্রুধারার মত, বৃষ্টি বুঝি ধুইয়ে দিল

কবিতার ডায়রি থেকে :

কত দিন দেখিনা তোমায় কত দিন দেখিনা তোমায় । ভেবেছি এই বুঝি এলে , সকালের ঝলমলে রোদ হয়ে । জানালা খুলে দেখেছি , খা খা রোদ , শুধু রোদ্দুর কোথাও নেই তুমি । কত দিন দেখিনা তোমায় । দখিনা বাতাসে