বাংলাদেশের জেতা সিরিজগুলো

২০০৫ সালে দেশে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের সিরিজে ৩-২ ২০০৬ সালে দেশে কেনিয়ার বিপক্ষে ৪ ম্যাচের সিরিজে ৪-০ ২০০৬ সালে কেনিয়াতে ৩ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ২০০৬ সালে দেশে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের সিরিজে ৫-০ ২০০৬ সালে দেশে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২

ওয়েবের জন্য লেখা আহবান কর করছি…

আমাদের প্রকাশিত www.bd24live.com এ বিভিন্ন বিভাগের জন্য আপনাদের কাছ থেকে লেখা আহবান করিছি।

শচীন টেন্ডুলকার তৃপ্তির সাথে এখন বিদায় নিতে পারবেন।

শেবাগ আর শচীন আউট হওয়ার পর ভারত জিততে পারবে কিনা এটা নিয়ে একটা শঙ্কা হচ্ছিল। শেষপর্যন্ত সবচেয়ে যোগ্য দলই এবার বিশ্বকাপ চাম্পিয়ন হলো। বলা যেতে পারে শচীন টেন্ডুলকারের সব কিছুই পাওয়া হয়ে গেল। ক্রিকেটের এই দেবতার শুধু বিশ্বকাপ জয়টাই অপূর্ণ

গতকালের সেরা উক্তি – বাংলাদেশ হারার পর

গতকার এটা সামুতে পাইলাম। বাঙালির আবেগ নিয়ে ভন্ড গ্রামীনফোনের সেরা ভন্ডামী মার্কা এ্যাডটা এবং বাংলাদেশের ৭৮ রানে অলআউট হওয়ার পর একজনের দেওয়া গতকালের সেরা উক্তি:   “ইশ্বর, আল্লা, গড, ভগবান। কোন শালাই পার করাইতে পারলো না ১০০ রান।”  

অবশেষে কাঙ্খিত সেই জয়। মন প্রান জুড়ে শান্তি।

টেনশন, আবেগ, রাগ, আশা, ক্ষোভ, হতাশা, আনন্দ, উচ্ছাস সবকিছুই আছে এই ম্যাচে। এত কিছু ক্রিকেটে থাকে বলেই তো ক্রিকেট এত ভাল লাগে!  নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য। একটা সময় বাংলাদেশ ভাল দলগুলোর সাথে ভাল খেলার উদ্দেশ্যে মাঠে নামতো আর

আশরাফুলের নাচন, মমতাজের নান্টু ঘটক গানের সাথে! না দেখলে মিস করবেন!

বাংলাদেশ আর আয়ারল্যান্ড খেলার সময় উইকেট পাওয়ার পর আশরাফুলের নাচ, মমতাজের ‘নান্টু ঘটক…পোলা তো নয় যেন আগুনেরই গোলা’ গানের তালে তালে। ভিডিওটা দেইখ্যা হাসতে হাসতে পেট ফাইট্যা যাওয়ার অবস্হা। সামু ব্লগে পাইলাম একজন এক পোস্টে এই ভিডিও দিছে। ভিডিওটা শেয়ার

অসাধারণ এক ক্রিকেট ম্যাচ দেখলাম আজ!

চরম নাটকীয় এক ম্যাচ। আজকের ইন্ডিয়া – ইংল্যান্ড ম্যাচ আমার সবচেয়ে ভাল লাগা ম্যাচ গুলোর একটি। শচীন টেন্ডুলকারের ১২০ রানের কল্যানে ইন্ডিয়া ৩৩৮ রান করতে সক্ষম হয়। ইন্ডিয়ার রান আরো কিছু বেশি হতে পারতো, কিন্তু ইংল্যান্ড ভালভাবেই সামাল দিয়েছে শেষ

রাস্তাঘাটে আনন্দ উৎসব, ঘরে থাকলে মিস করছেন আজকের ঢাকা শহর

বাংলাদেশ ২০৫ রানে অলআউট হওয়ার পর মনটা বিষণ্ণ হয়ে গেছিল। তবুও একটা আশা ছিল, জিততেও পারে বাংলাদেশ, ২০৫ রান দিয়ে লড়াই করা সম্ভব। আশা নিয়া টিএসসি গেলাম খেলা দেখতে। ওখানে পুরাই স্টেডিয়ামের আমেজ। যাদের স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখার সৌভাগ্য হয়না,

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের স্মরনীয় এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশে, আনন্দ প্রকাশ ও কিছু ছবি

এত চমৎকার এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখে আনন্দ আর ধরে রাখতে পারছি না, ব্লগ গুলোতে আর পত্রিকায় বিভিন্ন জনের একই ধরণের রিভিউগুলো বার বার পড়েও বিরক্তি আসছে না। আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখে একই সাথে বিষ্মিত, আনন্দিত, আবেগে আপ্লুত