শরীরের কাঠামো কিংবা আকরিক দিক যায় আসে না, মনটা হওয়া চাই মস্ত বড়, নইলে কেনইবা এ জীবন! শুধু চার দেওয়ালে বন্দী থেকে জীবনকে ছোঁয়া অসম্ভব। পৃথিবীকে জানো, মানো আর না মানো, ঘুরতো থাকো হেথায়-হোথায়, স্বপ্ন দেখ বহুদূরের, সব থেকেও মানুষ শূন্য, শুধু শূন্যটাকে ঢাকবার আপ্রান চেষ্টায় আমরা মগ্ন…. এতটা ব্যস্ত। মুক্ত ছিলে স্কুলের বেলায়, একটা সময় চাকরী বিয়ে, আবার তুমি বন্দি হলে, জীবন শেষে দীর্ঘশ্বাসই কেবল তোমার বাকী থাকে। অনেক কিছুই করার আছে, মনকে সাজাও নিজের মত, লোকের কথায় কি বা আসে, আনন্দটা তোমারইতো চাই, অন্যকেউ হাসলে হাসুক তবুও স্নায়ুগুলো আনন্দে কাঁপুক।

দেশ টিভিতে যেদিন কবীর সুমন এলেন, অনেক গল্প বলে গেলেন, গল্প এতটা জীবন্ত হয় তাঁকে না শুনলে বোঝা বড় দায়। নক্ষত্রের মত মানুষটির ভেতরটা প্রাশান্তর চেয়েও বড় কোন কিছু। স্মৃতি বড়ই শক্ত। অনুভূতি ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের। এমন মানুষ সহজে চোখে মেলে না, কত মানুষের প্রাণেই যেন তাঁর বসবাস, কত সাবলিলভাবে অন্যের প্রসংশা করে যাচ্ছেন গল্পের ভেতর, শেখার আছে অনেক কিছু! রাজনীতিবিদদেরও শিক্ষা নেওয়া উচিৎ বটে। মানুষের এত বড় আত্মা থাকার কথা তাকে না দেখলে বোঝা যেত না। কত সাধারনভাবে অসাধারন কথাগুলো বলছেন তিনি, এটা বিষ্ময়। ভালো মানুষদের চেয়ে বিপরীতরাই বেশি শক্তিশালী হন কিন্তু ভালো মানুষ যাদের ভেতর থাকেন সেখানে তাঁর মর্যাদা ঈশ্বরতুল্য।

কয়েক মিনিটের নাচানাচি তো জীবনের একটি অংশ, এই অংশের জন্যই কত আয়োজন, আর কবির সুমনের জন্য আয়োজন তো কেমন হবে তা আমাদের পাল্টে যাওয়া সংস্কৃতিই বলে দিচ্ছে। জীবন নিয়ে কজন ভাবে বলুন, যারা ভাবে তাদের কাছে কবীর সুমন অন্য মানুষ। মানুষ তার স্বপ্নের সমান। সেহিসেবে কবীর সুমন মস্ত বড় স্বপ্ন।

কবীর সুমন এলেন

One thought on “কবীর সুমন এলেন

  • April 4, 2011 at 5:01 am
    Permalink

    কবীর সুমনকে আমারও ভাল লাগে। মানুষ হিসিবে কেমন জানিনা তবে তার গান বেশ ভাল লাগে। আপনার লেখাটা চমৎকার হয়েছে। ১০ এ ১০ রেটিং দিলাম।

Leave a Reply