টেনশন, আবেগ, রাগ, আশা, ক্ষোভ, হতাশা, আনন্দ, উচ্ছাস সবকিছুই আছে এই ম্যাচে। এত কিছু ক্রিকেটে থাকে বলেই তো ক্রিকেট এত ভাল লাগে!  নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য। একটা সময় বাংলাদেশ ভাল দলগুলোর সাথে ভাল খেলার উদ্দেশ্যে মাঠে নামতো আর এখন আগেই ঘোষণা দিয়ে জেতার জন্য নামে। শুধু গর্জন নয়, গর্জন করে জয়ও আনে।

এ ম্যাচটা ছিল বাংলাদেশের জন্য এ বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াই, নিজেদের সন্মান বাঁচানোর লড়াই, কিছু আবাল সমর্থকদের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রমাণ করার লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ম্যাচের পর যারা সাকিবদের বাসে ঢিল ছুড়েছিল, রাস্তাঘাটে হাঙ্গামা শুরু করে দিয়েছিল তারা নিশ্চয় আজ বেহায়ার মত সবার সাথে রাস্তায় আনন্দ মিছিল করছে!

bangladesh vs england - bangladesh won the match
ইংল্যান্ডের সাথে ঐতিহাসিক জয়ের মুহূর্তটি

আজকের জয়ের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব কার? বলার ফিল্ডার ব্যাটসম্যান সবাই ভাল খেলেছেন। তবে আমার মনে হয় আজকের ম্যাচের জয়ের সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব শফিউল ইসলাম, তারপর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আট উইকেট যাওয়ার পর হতাশা পেয়ে বসেছিল, ম্যাচটা মনে হয় হাতছাড়া হয়ে গেল। শফিউলের একটা ছক্কা, আবারো আশা, টেনশন, অবশেষে কাঙ্খিত জয়। সাবাশ বাংলাদেশ।

অবশেষে কাঙ্খিত সেই জয়। মন প্রান জুড়ে শান্তি।

One thought on “অবশেষে কাঙ্খিত সেই জয়। মন প্রান জুড়ে শান্তি।

Leave a Reply