বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- সাবাস বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর অন্যতম। এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। স্থপতি : নিতুন কুন্ডু ১৯৭৩ সালে এর কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৯ সালে শেষ হয়। ৬ ফুট বেদীর উপর নির্মিত এ ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট এবং ব্যাস ৬ ফুট। রাইফেল হাতে দুজন মুক্তিযোদ্ধা দাড়িয়ে। একজন লুঙ্গি পরা, মাথায় …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- সাবাস বাংলাদেশ Read More »

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

ধারনা করা হয় ১৯৭১ সালের ১৪ ই ডিসম্বরে ২৩২ জন বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়েছে। মিরপুর এবং রায়েরবাজার এলাকায় অধিকাংশ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। সেইসব অসামান্য প্রতিভাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ঢাকার রায়েরবাজার এবং মিরপুরে স্হাপিত হয়েছে দুটি ভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভ। মিরপুরে স্থাপিত বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধটির নির্মাতা মোস্তফা আলী কুদ্দুস। ১৯৭১ সালের ১৪ ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আলবদর …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ Read More »

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- জাতীয় সংসদ ভবন

জাতীয় সংসদ ভবন প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এর মূল স্থপতি। জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৬১ সালে, ১৯৮২ সালের ২৮ শে জানুয়ারী নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একই বছরের ১৫ই ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম (এবং শেষ) অধিবেশনে প্রথম সংসদ ভবন ব্যবহৃত হয়। ২০০ একর জায়গা নিয়ে এটি অবস্হিত। মোট ব্যয় ১২৯ কোটি …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- জাতীয় সংসদ ভবন Read More »

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- জাতীয় স্মৃতিসৌধ

বাংলাদেশের স্হাপত্য স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয় এই স্মৃতিসৌধ। এটি ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর পশ্চিমে সাভারে অবস্হিত। ১৯৭২ সালে প্রথম পরিকল্পনা করা হয় সৌধটি নির্মাণের। ১৯৭৮ সালের জুনে একটি ডিজাইন কম্পিটিশনের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ৫৭ টি ডিজাইন নেয়া হয়। এর মধ্য থেকে সৈয়দ মইনুল হোসেনের ডিজাইন গ্রহন করা হয়। সৌধটির নির্মাণ …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- জাতীয় স্মৃতিসৌধ Read More »

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- শহীদ মিনার

শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল প্রাঙ্গনে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে নির্মিত। ইতিহাস ১ম শহীদ মিনার ১৯৫২ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আরো কিছু স্কুল কলেজের ছাত্রদের সহায়তায় ১ম শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়। সাঈদ হায়দার এর মূল পরিকল্পনা ও নকশাকারী। কার্ফু চলাকালে ২২ শে ফেব্রুয়ারী মাঝরাতে …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- শহীদ মিনার Read More »

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- অপরাজেয় বাংলা

লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় যৌবনযাত্রায় 25-05-2009, একই শিরনামে। লিংক- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য একজন আছেন পোস্টচোর, একান্ত কথা, উনি ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ সামহয়্যারইন ব্লগে হুবহু কপি পেস্ট করেন। লিংক- এখানে। অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত, এবং তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়িত করা এই ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্হিত। এটি নির্মাণ করেন …

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্হাপত্য ও ভাস্কর্য- অপরাজেয় বাংলা Read More »

খনার বচন-২

প্রচলিত কিছু খনার বচন: ১. ‘দুই হাত অন্তর কলা রুয়ে থাক গে চাষী মাচায় শুয়ে কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত’ ব্যখ্যা: কলার পাতা তখন মানুষ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করত! কিন্তু খনা কলার পাতা না কাটতে বলে। কলার পাতা নাকাটা হলে প্রথমে ঝুলে পড়ে, পরে শুকিয়ে পঁচে যায়। তাতে মাটিতে সার হয়। …

খনার বচন-২ Read More »

খনার বচন-১

খনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্ব ভিত্তিক ছড়া।আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। উঠতে বসতে, বিবাহে,যাপনে,ফসলে, বুননে, হাসিতে ,আড্ডায়, দুঃখে কষ্টে, এক কথায় বাঙালি জীবনের প্রতিটি স্পন্দনে শিক্ষণীয়, নিন্দনীয়, বিদ্রুপ কটাক্ষ বা নির্দোষ মজা করার যে শ্লোকগুলো এখনো ভেসে বেড়ায় গ্রামবাংলার লৌকিক জনপদে মুখে মুখে, এগুলোর রচয়িতার নাম কেউ না জানলেও এতে ছন্দের চমৎকারিত্ব, বুদ্ধির ঝিলিক …

খনার বচন-১ Read More »

জেনে রাখুন কিছু অবিশ্বাস্য সত্য- ৩

– অধিকাংশ মাছই সমুদ্রের ৮০০ মিটার বা তার বেশি গভীরে বাস করে যাদের কোন চোখ নেই – কিং কোবরা সাপের মাত্র ১ গ্রাম বিষ, ১৫০ জন মানুষ মেরে ফেলার জন্যে যথেষ্ট – একটা গোল্ডফিসের স্মৃতির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩সেকেন্ড – পিঁপড়া কখনও ঘুমায় না – অধিকাংশ লিপস্টিকেই কিছু পরিমান মাছের আইস থাকে – গড়ে এক একটা …

জেনে রাখুন কিছু অবিশ্বাস্য সত্য- ৩ Read More »

জেনে রাখুন কিছু অবিশ্বাস্য সত্য-২

আজব দুনিয়া – উল্কার পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা দেখা যায় এক বছরে প্রায় ৯৩০০ বার – পৃথিবীর ওজন গড়ে 6,588,000,000,000,000,000 টন – জীবন্ত আগ্নেয়গিরীর ৯০% ভাগই পানির নিচে। – প্রতিদিন গড়ে ১০০টন কসমিক ধুলিকনা পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হয়। – প্রতি সেকেন্ডে যদি একটা করেও তারকা গননা করা হয়, এই হিসাবে গালাক্সির মোটা তারকা গননা করতে …

জেনে রাখুন কিছু অবিশ্বাস্য সত্য-২ Read More »